
বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের মাদক, জুয়া এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে স্থানীয় জনমনে স্বস্থি ফিরে এসেছে। পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
প্রায় প্রতিদিনই বিয়ানীবাজারের কোথাও না কোথাও ধরা পড়ছে মাদক কারবারি। বৃহস্পতিবার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের টেকইকোনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ২ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে টেকইকোনা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে সাইদুর রহমান (৩৫) ও বড়উধা গ্রামের মকবুল আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম (৩০)। গত বুধবার (১ জুলাই) লাউতা ইউনিয়নের পশ্চিম গাংপার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার টিকরপাড়া এলাকার মৃত তৈয়ব আলীর পুত্র:দিলাল (৫০) ও বড়লেখার শিলকুড়া এলাকার দিরেন্দ্র বিশ্বাসের পুত্র রবেন্দ্র বিশ্বাস (৩৫)।
পুলিশ জানায়, বিয়ানীবাজার থানা এলাকায় মাদক চোরাচালান ও সিন্ডিকেট নির্মূল করা, মাদক সেবনকারীদের চিহ্নিত করণ, মাদকের হটস্পট বা আস্তানাগুলো চিহ্নিত করতে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো, বিশেষ অভিযান ও তল্লাশি, মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের জন্য নিয়মিত অভিযান চলবে।
সূত্র জানায়, মাদক ব্যবসার অনেক গডফাদার চিহ্নিত করতে পারলেও তাদের সঙ্গে মাদক না থাকায় গ্রেফতার করতে পারা যাচ্ছে না। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হলেও তারা কিছুদিন পর বের হয়ে আসে। কোনোভাবেই ধরে রাখা যায় না।
মাদকসংশ্লিষ্ট সংগঠন ও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে তৎপর থাকতে হবে। দেশে মাদকের প্রবেশ ও সরবরাহ লাইন বন্ধ করতে হবে। মাদকের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ওমর ফারুক বলেন, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।